সকাল ৭:৩৩ | বুধবার | ৫ আগস্ট, ২০২৬ | ২১ শ্রাবণ, ১৪৩৩, বর্ষাকাল | ২১ সফর, ১৪৪৮

বিরোধীদের আপত্তিতে মানবাধিকার কমিশন বিল পাস

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
০৯ এপ্রিল, ২০২৬

 

জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’। এর ফলে ২০২৫ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ বাতিল করে আবারও কার্যকর করা হলো ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

অধিবেশন চলাকালে এ বিল নিয়ে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি তোলা হয়।
বিলের বিরোধিতা করে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেন, ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে।

তার অভিযোগ, অতীতে এই কমিশন বিরোধী দল দমনে ব্যবহৃত হয়েছে।
তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত একটি পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ, যা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে।

এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বিলটি যথাযথ পর্যালোচনা করেই আনা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, “সংসদ সদস্য সব পড়েছেন, শুধু বিলটি পড়েননি।” তার ভাষায়, এই বিলের উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য আইন প্রণয়ন করা।

মন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি বাতিল করে যদি ২০০৯ সালের আইন সাময়িকভাবে পুনঃপ্রচলন না করা হতো, তাহলে দেশে মানবাধিকার কমিশনের আইনি কাঠামোই অনিশ্চিত হয়ে পড়ত।

সংসদে আলোচনা শেষে আইনমন্ত্রী বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

এই বিল পাসের মাধ্যমে দেশে মানবাধিকার কমিশনের আইনি ভিত্তি বহাল থাকলেও, বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

 

জা ই / এনজি