রাত ৯:২৫ | বৃহস্পতিবার | ২১ মে, ২০২৬ | ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩, গ্রীষ্মকাল | ৩ জিলহজ, ১৪৪৭

সেনাবাহিনী প্রধান : যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে কাজ করে যাব

সেনাপ্রধান বলেন, আমরা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে এখনো ডেপ্লয়েড আছি। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকে আমরা এ কাজ করে যাচ্ছি, এখনো আছি। এখনো ১৬-১৭ হাজার সারা বাংলাদেশের ৬২টা জেলায় আছে। আমরা অনেক সৈনিক আমরা উইথড্রো করেছি, বাট এখনো সম্পূর্ণ উইথড্রো হয়নি। ইনশাআল্লাহ আমরা আশা করছি যে কিছু সময়ের মধ্যে আমরা সবাই ব্যারাকে ফেরত আসতে পারবো। তারপরও দেশের প্রয়োজনে আমাদের কিছু কাজ করে যেতেই হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে বিভিন্ন কাজ করে যাব। যেমন এখন ফিউল ডিপোগুলোতে আমাদের ডিপ্লয়মেন্ট আছে। এ রকম টাইম টু টাইম বিভিন্ন কাজে আমাদের হয়তো সরকারকে সহায়তা করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যে প্রধান কাজ ক্যান্টনমেন্টে ফেরত এসে প্রশিক্ষণগুলো করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি, আমাদের নিজস্ব যে পদ্ধতি আছে, নিজস্ব ওয়ে আছে সেগুলো আস্তে আস্তে আমাদের শুরু করতে হবে। এজন্য ফায়ারিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এতদিন ফায়ারিং সেভাবে করতে পারিনি। এখন ফায়ারিং কমপ্রেশন হলো। আমি রেজাল্ট দেখলাম, দক্ষতা দেখলাম, আমি অত্যন্ত আশান্বিত যে এতদিন ফিল্ডে থাকার পরেও আমাদের ফায়ারিং সক্ষমতা কমেনি। এটা একটা ভালো লক্ষণ। আমাদের আস্তে আস্তে ট্রেনিং ইভেন্টগুলো শুরু করতে হবে। আমাদের যে কাজ সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা, ডিসিপ্লিন ঠিক রাখা সেগুলো আমরা শুরু করছি।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে সদর দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১৭ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

তো কা / এনজি