জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে ৩৬ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।
বিএনপির ঘোষিত তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বিএনপির ৩৬ নারী সংসদ সদস্যের তালিকায় নতুনদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এবারের সংসদে ২৮ জন নারী প্রথমবারের মতো বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য হচ্ছেন। আর বিএনপির তালিকায় এমন ৮ জনের নাম রয়েছে, তারা এর আগেরও সংরক্ষিত কোটায় সংসদ সদস্য ছিলেন।
এরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, রেহান আক্তার রানু, রাশেদা বেগম হীরা, বিলকিস ইসলাম, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, সুলতানা আহমেদ, নেওয়াজ হালিমা আর্লি।
বিএনপির ঘোষিত তালিকায় দেখা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরাসরি নির্বাচন অংশ নিয়ে পরাজিত এমন ৩ জনও সংরক্ষিত কোটায় সংসদ সদস্য হয়েছেন। এরা হলেন, ঢাকা-১৪ আসনের সানজিদা ইসলাম তুলি, যশোর-২ আসনের সাবিরা সুলতানা, শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন।
বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে মনোনয়ন পেয়েছে ২ জন। মাহমুদা হাবিবা ও শাম্মী আক্তার।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির কমিটি থেকে ৩ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। এরা হলেন, ফেরদৌস আহমেদ, আরিফা সুলতানা, নাদিয়া পাঠান। এরা তিন জনেই ঢাকা মহানগর বিএনপির রাজনীতি সঙ্গে জড়িত।
বর্তমান ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে ১ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি হলেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তার। তিনি এবারের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তার বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী।
বিএনপির তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দলের সক্রিয় রাজনীতি সঙ্গে জড়িত নয়, এমন কয়েকজন সংরক্ষিত কোটায় মনোনয়ন পেয়েছে। এদের মধ্যে একজন হলেন- জহরত আবিদ চৌধুরী। তিনি মোবাইল অপারেটর বাংলা লিংকের সিইও।
বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, অভিজ্ঞ রাজপথে নিপীড়িত ও নির্যাতিত যারা তারা মূল্যায়িত হয়েছেন। এটা দলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জা ই/ এনজি






