রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কবিতা ‘বনলতা সেন’ অবলম্বনে বড় পর্দায় গল্প বুনেছেন নির্মাতা উজ্জ্বল। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এবার সিনেমাটি দেখে নিজের মুগ্ধতা ও ভালো লাগার কথা প্রকাশ করলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। এক সংবাদ সম্মেলনে সিনেমাটির ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি এর পেছনের দীর্ঘ ত্যাগ ও কলাকুশলীদের অভিনয়ের দারুণ মূল্যায়ন করেছেন তিনি।
সিনেমাটি দেখার পর নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘এত দারুণ! আমি সিনেমা শেষ করে উজ্জ্বল ভাইকে দেখে জিজ্ঞেস করেছি, ‘ভাইয়া, আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন এই সিনেমাটার, ইভেন জীবনানন্দ দাশের এতগুলো কবিতা রিসার্চ করতে আপনার কতদিন সময় লেগেছে?’ সে বলেছে আট বছর। আট বছরের সাধনা! মানে, সাধনার পরেই এরকম একটা ছবি আমি দেখতে পেরেছি। এটাতে আসলে আমার মনে হচ্ছে যে, দিস ইজ মাই অ্যাচিভমেন্ট।’
সিনেমার গল্প ও চরিত্রের সাথে নিজের সংযোগের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমার খুবই ভালো লেগেছে সত্যি কথা বলতে। প্রত্যেকটা চরিত্রের সাথে আমি জার্নি করেছি। নাবিলা আপু এত গ্রেসফুল, তুমি মাশাল্লাহ! আপুকে যে, ‘একটু বলো কেমন, তুমি কী করছ?’ ও বলেছিল, ‘গিয়ে দেখবা, হলে দেখবা। না, আমি তো তেমন ভালো অভিনয় করিই না।
সিনেমার মূল চরিত্র ও অন্যান্য অভিনেতাদের কাস্টিং নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সাদিয়া বলেন, ‘খায়রুল বাসার জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে একদম মানিয়ে গিয়েছে। মনে হচ্ছিল আমি ওনাকেই দেখছি। আর সোহেল মণ্ডলের কথা আমি আলাদা করে বলব। সে যখন স্ক্রিনে এসেছে, আমার কাছে মনে হচ্ছে যে এটা হয়তোবা ইন্টারন্যাশনাল কোনো পারফর্মারের অভিনয় দেখছি, এরকম মনে হচ্ছিল। খুবই ভালো।’
কস্টিউম, মেকআপ ও কাস্টিং ডিরেকশনের প্রশংসা করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘কস্টিউম থেকে শুরু করে মেকআপ সবকিছু, প্রত্যেকটা চরিত্রের সাথে সবাইকে এত সুন্দর মানিয়েছে! মনে হচ্ছিল যে, পারফেক্ট কাস্টিং খুঁজে একদম এই সিনেমার সাথে মানে একদম পারফেক্ট কাস্টিংগুলো খুঁজে বের করেছে, এরকম।’
ফা আ/ এনজি






