আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৬ বছর ধরে একাধিক ডে কেয়ারে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১৩৬ শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। গত বছরের জুলাইয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গতকাল সোমবার তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। এ সময় ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করা এবং তাদের পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দিতে পুলিশ যে আদালতের আদেশ চেয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হয়।
হামিশের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনমূলক সামগ্রী তৈরির ১৬২টি এবং অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কার্যকলাপের ভিডিও ধারণের ৮১টি অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী ১২১টি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ২২ জন ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের (এএফপি) ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার লিউক নিডহ্যাম বলেন, যেকোনো ধরনের শিশু যৌন নির্যাতনই মর্মান্তিক ও ভয়াবহ। এক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি যখন দেখভালের দায়িত্বে থাকা কোনো বিশ্বস্ত ব্যক্তি হন, তখন বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে।
টেইট ২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সিডনির ৬২টি প্রাথমিক শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। তবে পুলিশ বলছে, তিনি মূলত শহরটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কাজ করতেন। চারটি ডে কেয়ার এবং নিজের ব্যক্তিগত ব্যবসাসহ মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডে কেয়ার সেন্টারে শিশু নির্যাতনের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। এসব ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
এর মধ্যে অ্যাশলি পল গ্রিফিথের মামলাটি অন্যতম। তিনি ২০২৪ সালে কুইন্সল্যান্ড ও বিদেশের শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোতে ২০ বছর ধরে সংঘটিত ৩০৭টি অপরাধের কথা স্বীকার করেছিলেন।
এ ছাড়া গত বছর ডে কেয়ার সেন্টারে সংঘটিত কয়েক ডজন শিশু নির্যাতনের অভিযোগে জোশুয়া ডেল ব্রাউনকে অভিযুক্ত করা হয়। এরপর পুলিশ ভিক্টোরিয়ার ১,২০০-এর বেশি শিশুকে যৌনরোগের পরীক্ষা করানোর আহ্বান জানায়।
সূত্র: বিবিসি
আ ই / এনজি






