রাত ৩:১৮ | বুধবার | ১৫ জুলাই, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ়, ১৪৩৩, বর্ষাকাল | ২৯ মহর্‌রম, ১৪৪৮

ফ্রান্স-স্পেন লড়াই : পরিসংখ্যানে কারা এগিয়ে?

বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ সেমিফাইনালে মুখোমুখি লড়াইয়ে নামছে ইউরোপের দুই জায়ান্ট ফ্রান্স ও স্পেন। টুর্নামেন্টজুড়েই অপ্রতিরোধ্য থাকা ফ্রান্সকে ভাবা হচ্ছে এবারের আসরের শিরোপার অন্যতম দাবিদার। অন্যদিকে, কেপভার্দের বিপক্ষে হোঁচট খাওয়ার পর চেনা ছন্দে ফিরেছে স্পেন। বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম ভয়ঙ্কর আক্রমণভাগকে থামানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামছে ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

শেষ চারের আগে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি ফ্রান্সকে। তাদের অলস্টার আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে, ইতোমধ্যে ছয় ম্যাচে ৮ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে বেশ ভালোভাবেই রয়েছেন। আক্রমণভাগে এমবাপের সঙ্গে রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখ তারকা মাইকেল ওলিসে, ব্যালন ডি’অরজয়ী ওসমানে দেম্বেলে এবং প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইর জুটি ব্র্যাডলি বারকোলা ও ডিসায়ার ডুয়ে।

অন্যদিকে স্পেন লুইস ডি লা ফুয়েন্তের অধীনে নিজেদের চেনা বল দখলের পারদর্শিতা, সুযোগ বুঝে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে কৌশলী আক্রমন চালানো ও দুর্দান্ত প্রতিভাবান স্কোয়াড নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় সেমিফাইনালে উঠে এসেছে।

হেড টু হেড

এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৩৮ বার মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেন। যেখানে স্প্যানিশদের দাপট স্পষ্ট, তারা ১৮ ম্যাচে জয় পেয়েছে। বিপরীতে ফ্রান্সের জয় ১৩টিতে এবং বাকি ৭ ম্যাচ ড্র হয়েছে। ২০১৮ বিশ্বকাপের শুরু থেকে বড় কোনো টুর্নামেন্টে খেলা ২৭টি ম্যাচের মধ্যে স্পেন মাত্র একটিতে হেরেছে (১৬টি জয়, ১০টি ড্র)। ২০২২ বিশ্বকাপে জাপানের কাছে ২-১ ব্যবধানে হারের পর থেকে তারা টানা ১৪টি ম্যাচে অপরাজিত।

এ সময়ে তারা মাত্র পাঁচটি গোল হজম করেছে এবং কোনো ম্যাচেই একটির বেশি গোল খায়নি (৯টি ম্যাচে কোনো গোলই হজম করেনি)। মাঝমাঠ ও রক্ষণে তাদের নিয়ন্ত্রণের চিত্রই ফুটে উঠছে জোরালোভাবে। তবে বিশ্বকাপের মুখোমুখি দ্বৈরথে স্পেনের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে ফরাসিরা।

এর আগে ২০০৬ আসরে শেষ ষোলোর ম্যাচে তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়, সেবার পিছিয়ে পড়েও ফ্রান্স শেষ ১০ মিনিটে দুটি গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছিল। মাত্র দ্বিতীয়বার তাদের এই সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় দেখা হতে যাচ্ছে।

 

 

 

জা ই / এনজি