সকাল ৯:০১ | বুধবার | ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র, ১৪৩৩, শরৎকাল | ২৬ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮

সংশ্লিষ্ট মহলে সমালোচনার ঝড় :  রাজশাহী মেডিক্যালের ৫৫৪ টাকার কাজ দেয়া হচ্ছে শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশানকে

বিশেষ প্রতিবেদন

 

 

আবু হেনা শাহরিয়ার

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রাজশাহী মেডিক্যালের ৫৫৪ টাকার
কাজ দেয়া হচ্ছে শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশানকে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তারা বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভূক্ত করার পরিবর্তে পুরস্কৃত করার ঘটনা সবাই বাকরুদ্ধ।

সূত্র মতে, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি) স্থাপন প্রকল্পে ৯ শতাংশ টাকা ঘুষ দাবির আলোচিত ঘটনার রেষ কাচতে না কাটতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় কাজ এবার আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠদের দেয়ার পায়ঁতারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যে প্রতিষ্ঠনকে কাজ দেয়ার আয়োজন চলছে, তাদের ইতিপূর্বে এই ধরণের কাজের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতাই নেই। এছাড়া কাজে ব্যর্থতার দায়ে প্রতিষ্ঠানটির ওয়ার্ক অর্ডারও বাতিলের রেকর্ড় রয়েছে। জানা গেছে, এই প্রকল্পে বড় ধরণের অনৈতিক আর্থিক লেনেদের মাধ্যমে অনভিজ্ঞ আওয়ামী সমর্থিত মালিকের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। আগামী ক্রয় কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভূক্ত করার পরিবর্তে পুরস্কৃত করার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৭৭৭ কোটি টাকার ছয়টি প্যাকেজের নির্মাণকাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ৫৫৪ কোটি টাকায় বেজমন্টেসহ ১ হাজার ২০০ শয্যার হাসপাতাল ভবন নির্মাণ, ১০৩ কোটি টাকায় ৯ তলা একাডেমিক ভবন, ২৬ কোটি টাকায় ভিসির তিনতলা অফিস ভবন, ৩৬ কোটি টাকায় পুরুষ ও নারী নার্সদের জন্য আলাদা দুটি ডরমিটরি ভবন নির্মাণ, ১১ কোটি টাকায় মসজিদ, ৩৬ কোটি টাকায় ভিসির বাসভবন ও ডে কেয়ার সেন্টার এবং ১১ কোটি টাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণ।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি দরপত্র প্রক্রিয়ায় নানা অসংগতি ও অনিয়ম তুলে ধরে রাজশাহীর মেসার্স তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দরপত্র প্রক্রিয়া বাতিলের অনুরোধ জানিয়েছেন। এর মধ্যেই জেনিট করপোরেশন নামের আরেকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আতাউর রহমান টিপু অভিযোগ করছেন, কাজ দিতে ভিসি তার কাছে ৯ শতাংশ ঘুষ দাবি করেছিলেন। যদিও পরবর্তীতে ভিসি আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।
সূত্র মতে, বিএনপি সরকারের প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া ও সহায়তায় গণ অভূত্থানে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রভাবশালীদের অনৈতিক প্রভাবে শুধু রাজনৈতিকভাবেই নয়, অর্থনৈতিক, ব্যবসায়ীক বিভিন্ন সেক্টরেও পতিত সরকারের সুবিধাভোগীরাই আবারও পূর্ণবাসিত হচ্ছে। যার নমুনা সরকারের বড় বড় ঠিকাদারী কাজেও ফুটে উঠছে। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২০০ শয্যার হাসপাতাল ও ক্লিনিক্যাল ফ্যাসিলিটিজ বিণ্ডিং নির্মাণের ঠিকাদারি কাজ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ঘনিষ্ঠদের মধ্যে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারের এই বড় অংকের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ঠিকাদারি পাচ্ছে আওয়ামী আমলে সুবিধাভোগী এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এমনভাবে দরপত্র আহ্বানও করা হয়েছে, যাতে টেন্ডারে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানই ‘সুবিধাপ্রাপ্ত’ হয়।
জানা যায়, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ তলা + ১টি বেইজমেন্ট, ১২০০ শয্যার হাসপাতাল ও ক্লিনিক্যাল ফেসিলিটিজ বিল্ডিং নির্মাণের জন্য ৫৫৪ কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ পাচ্ছে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশান লি.। জানা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার পতিত আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনার বেয়াই ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের আত্মীয়। যার বিরুদ্ধে গত আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে একাধিক কাজ বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তিনি আওয়ামী লীগকে ব্যাপকভাবে আর্থিক সুযোগ সুবিধা করে দিতেন।
এদিকে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশান লি. এর বিরুদ্ধে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দরপত্রে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক আপত্তি/অভিযোগ জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। তারা এক চিঠিতে জানিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানের এ ধরণের কাজের কোনো অভিজ্ঞতাও নেই। এছাড়া গত আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।
সূত্র মতে, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ তলা + ১টি বেউজমেন্ট ১২০০ শয্যার হাসপাতাল ও ক্লিনিক্যাল ফেসিলিটিজ বিল্ডিং নির্মাণের দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের একই ধরনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের কাজের অভিজ্ঞতা থাকার কথা উল্লেখ করা আছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লি. যে অভিজ্ঞতার সনদ দিয়েছে, সেগুলো এই দরপত্রের কাজের সঙ্গে যথেষ্ট মিল নেই। এই হাসপাতাল প্রকল্পটি বড় ও জটিল একটি কাজ। ১১ তলা ভবন, বেইজমেন্ট, বিভিন্ন ইনফ্রাসট্রাকচারাল ওয়ার্ক, প্লামবিং ইলেক্ট্রিক্যাল এবং বিল্ট-ইন ফেসিলিটিজ রয়েছে।
কিন্তু ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন -এর দেখানো অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েয়ে সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের কাজ, যার সর্বোচ্চ ভবন প্রায় ৩ তলা এবং কোনো বেইজমেন্ট নেই। তাই অভিযোগকারীরা মনে করছে, এগুলো হাসপাতালের মতো ১১ তলা ও বেইজমেন্ট এর জটিল বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন এর সঙ্গে একই ধরনের কাজ নয়।
সংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আইটিটি ১৩.১ (বি) অনুযায়ী কমপক্ষে ১টি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন এর চুক্তির অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। কিন্তু ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন যে অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, সেটি হলো ৭৩ এনওএস স্কুল কাম ডিজেস্টার শেল্টার ইউথ এসোসিয়েটেড কানেক্টিং রোড”—অর্থাৎ ৭৩টি স্কুল/দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র এবং তার সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজের অভিজ্ঞতা।
অভিযোগের মূল যুক্তি তুলে ধরে সংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, ৭৩টি ছোট/ভিন্ন ধরনের ভবনের কাজকে একসঙ্গে দেখিয়ে ১টি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন এর সেমিলার এক্সফেরিয়েন্স হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়, বিশেষ করে যখন কাজগুলোর ধরন, উচ্চতা, বেজমেইন্ট, টেকনিক্যাল কমপ্লেক্সিটি এবং স্কোপ বর্তমান হাসপাতাল প্রকল্পের তুলনায় ভিন্ন।
অভিযোগের চিঠিতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০২৫-এর রুল ৯৮ উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, টেন্ডার ডকুমেন্টে যে কোয়ালিফিকেশন ক্রাইটেরিয়া দেওয়া আছে, প্রকিউরিং ইনটিটি কে সেই ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ীই বিড ইভালিউশান করতে হবে।
চিঠিতে মূলত ৩টি দাবি করা হয়েছে, এর মধ্যে প্রথমটি হলো, ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন এর স্পেসিপিক এক্সপেরিয়েন্স এর কাগজপত্র আবার যাচাই করা হোক। দ্বিতীয়ত টেন্ডার ডকুমেন্ট এ দেওয়া কোয়ালিফিকেশন ক্রাইটেরিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করা হোক এবং তৃতীয়ত যাচাই করে যদি দেখা যায় যে, ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন সেমিলার এক্সপেরিয়েন্স এর শর্ত পূরণ করেনি, তাহলে তাদের বিড কে নন রেসপনসিভ অথবা অযোগ্য ঘোষণা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
জানা গেছে, এই দরপত্রে ১১ তলা ও বেইজমেন্টসহ বড় হাসপাতাল নির্মাণের মতো বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন এর অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। কিন্তু ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন শুধু ৩ তলা পর্যন্ত সাইক্লোন শেল্টার অথবা স্কুল কাম ডিজেস্টার শেল্টার এবং কানেকটিং রোড এর কাজের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে। এগুলো বর্তমান হাসপাতাল প্রকল্পের সঙ্গে একই ধরনের ও সমপর্যায়ের কাজ নয়। তাই তাদের এই অভিজ্ঞতা গ্রহণ করে যোগ্য ঘোষণা করা টেন্ডার ডকুমেন্ট এর শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়—তাদের কোয়ালিফিকেশন আবার যাচাই করে প্রয়োজনে নন-রেসপনসিভ ঘোষণা করা উচিত। অর্থাৎ ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন এর অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট গ্রহণের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে তাদের বিড পুনরায় যাচাই করার দাবি করা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামেবি স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক ও ভিসি অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, যে ছয়টি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে তার মধ্যে একটির মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সেটি ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া যাবে। বাকিগুলো মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনীত ঘুষ বাণিজ্যসহ অন্যান্য অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট।
রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যায়ের প্রকল্পের দরপত্রের আবেদনে কাজের অভিজ্ঞতাসহ সার্বিক বিষয়ে বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানের মালিক ওয়াহিদ মিয়ার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি বিষয়টি জানিয়ে ম্যাসেজ পাঠালেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।
তবে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশনে কর্মরত সোহেল পরিচয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন অনেক বড় প্রতিষ্ঠান। আমাদের কাজ ব্যবসা করা। যখন যে সরকার থাকবে তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লি. যে অভিজ্ঞতার সনদ দিয়েছে, সেগুলো এই দরপত্রের কাজের সঙ্গে যথেষ্ট মিল নেই, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা তো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মূল্যায়ন করবেন।
সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সময়েও কাজ শেষ না করার রেকর্ড় রয়েছে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশনের। জানা গেছে, মিরপুর বাংলা কলেজের সামনে সরকারী আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়েও করতে না পারার কারণে গণপুর্ত বিভাগ তাদের ওয়ার্ক অর্ডার বাতিল করেছে। যদিও পরবর্তীতে আবেদনের প্রেক্ষিতে সেই বাতিলাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
অভিযোগটির বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের মিরপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসিুনর রহমান বলেন, ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশনের ওয়ার্ক অর্ডার বাতিল করা হয়নি। তবে তারা ১৮ মাসের কাজ ৩০ মাসে শেষ করেছে। তারা প্রকল্পের কাজ শেষ করতে দুইবার সময় নিয়েছিল।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর বড় বড় সরকারি কেনাকাটা ও মেগা প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে কড়া নজরদারি চলছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও “হাসিনাঘনিষ্ঠ” বা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবপুষ্টদের কাজ পাওয়ার বিষয়টি অকল্পনীয় হিসেবে দেখছেন তারা। সমালোচকদের দাবি, বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠরা বিএনপির সরকারের নীতি-নির্ধারকদের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করেই অতীতের ধারাবাহিকতায় বড় বড় সিভিল কনস্ট্রাকশনের কাজ বাগিয়ে নিচ্ছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ই-জিপি টেন্ডারে কারিগরি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রতিযোগীদের বাদ দিয়ে এই সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেয়া হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

 

 

জা ই/ এনজি