স্পোর্টস ডেস্ক
বিশ্বকাপ ঘিরে আবারও বিতর্কে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। অভিযোগ উঠেছে, নিয়ম ভেঙে একজন গোলরক্ষককে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলিয়েছিল কঙ্গো। বিষয়টি ফিফার আইন বিভাগও জানত। এরপরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি পরে কঙ্গোর হয়ে বিশ্বকাপেও খেলেছেন, এমনকি শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারা ম্যাচেও ছিলেন গোলপোস্টে।
অভিযোগ পাওয়ার পর এমপাসিকে নিষিদ্ধ করা, কঙ্গোকে জরিমানা করা কিংবা বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্লে-অফ থেকে কঙ্গোকে সরিয়ে নাইজেরিয়াকে সুযোগ দেওয়ার মতো কয়েকটি বিকল্প বিবেচনা করেছিল ফিফা। শেষ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। অভিযোগটি কারিগরি কারণে খারিজ করা হয়। এরপর কঙ্গো জ্যামাইকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়।
ফিফা অবশ্য জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের স্বায়ত্তশাসিত একটি কমিটি এবং এতে ইনফান্তিনোর কোনো ভূমিকা ছিল না। তবে বিষয়ট নতুন করে সামনে আসায় প্রশ্ন উঠছে ফিফা সভাপতির ভূমিকা নিয়ে। কারণ, এমপাসিকে নিয়ে তদন্তের সময় কঙ্গোর ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ভেরন মোসেঙ্গো-ওমবা।
কা হি / এনজি






