বিকাল ৩:০০ | শনিবার | ১৩ জুন, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩, গ্রীষ্মকাল | ২৬ জিলহজ, ১৪৪৭

প্রভাব নেই বাজেটের : সবজি-মুরগিতে স্থিতি, মাছের দরে ঊর্ধ্বগতি

চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নেই বড় কোনো পরিবর্তন। ৪০-৬০ টাকার মধ্যেই মিলছে অধিকাংশ সবজি। প্রভাব পড়েনি মুরগির বাজারেও। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার পর চাহিদা বেশি থাকায় কয়েক ধরনের মাছের দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজিই ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বেগুন, করলা, পটোল, লাউ, ফুলকপি ও কাঁকরোল। ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়, ঢেঁড়স ৪০ টাকায়। তবে প্রতি কেজি টমেটো ১২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা ও শসা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা বাজারের সবজি বিক্রেতা আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা বাজেট বুঝি না। রাত ১২টার দিকে আড়তে চলে যাই। সেখান থেকে মালামাল নিয়ে আসি। সবকিছুর দামই আগের মতো। পরিবহন খরচও বাড়েনি। সবমিলিয়ে আগের মতোই জিনিসপত্র বিক্রি করছি।’

আরেক মাছ ব্যবসায়ী সবুজ বলেন, আড়তে মাছ কম থাকায় গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি। চাহিদা অনুযায়ী মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তেলাপিয়া ২২০ টাকা হলেও অন্যান্য মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে।

রামপুরা কাঁচাবাজারে মাছ কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী সুমন হাওলাদার বলেন, ঈদুল আজহার পর গরু ও মুরগির মাংসের তুলনায় মাছের চাহিদা বেশি। রুইসহ বিভিন্ন ছোট মাছ কিনতে এসে তিনি জানান, কয়েকদিন আগেও রুই ৩২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেতো। কিন্তু এখন ৩৫০ টাকায় কিনতে হয়েছে। তবে সবজির বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।

মুরগির বাজারেও বাজেটের কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিক্রেতা শামসুল ইসলাম বলেন, আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ বাজেটের আগেও আমরা এ দামেই বিক্রি করেছি।

ব্যবসায়ীরা জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত পাইকারি বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। ফলে খুচরা বাজারেও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দামে বড় ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। তবে মাছের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

 

 

 

টি আই / এনজি