সন্ধ্যা ৬:৪০ | রবিবার | ১ নভেম্বর, ২০২৬ | ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩, হেমন্তকাল | ২০ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮

একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ আগস্ট ২০২৬
মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা

রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২০০ টাকায় মিলছে না কোনো মাছ। একই সঙ্গে ডিমের ডজন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা হওয়ায় বাড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার খরচ। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামেই ঊর্ধ্বগতি থাকায় ক্রেতাদের খেতে হচ্ছে হিমশিম।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাংসের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে আজ বিক্রি হয়েছে ১৯০ টাকা, সোনালি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। ডিমের বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত রয়েছে। সাদা ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। তবে এলাকাভেদে বাজার ও পাড়া-মহল্লায় এসব পণ্যের দামে কিছুটা ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের মতো আছে। আজকে ১৯০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। গত সপ্তাহে একই দাম ছিল। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।

রায়ের বাজারে আবু দাউদ নামে ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ কিনতে এসে এখন রীতিমতো অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তেলাপিয়াও আড়াইশ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য বাজার করাই কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা কফিল উদ্দিন বলেন, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে তো পরদিনই আবার বাড়ছে।

ক্রেতারা জানান, বাজারে এসে এখন মাছ, মুরগি আর ডিম কিনতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। একটার দাম একটু কম, তো আরেকটার দাম বেড়ে যাচ্ছে। ২০০ টাকার মধ্যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, ব্রয়লার মুরগির দামও অনেক বেশি। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। আমাদের আয় তো সেভাবে বাড়েনি, কিন্তু বাজার খরচ প্রতিদিনই বাড়ছে। আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন সেই টাকা কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে যাবে।

 

 

টি আই/ এনজি