রাত ২:৪২ | বুধবার | ৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩, বর্ষাকাল | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮

উল্লসিত নরওয়েজিয়ানরা, ব্রাজিলিয়ানরা ক্ষুব্ধ-বিমর্ষ

নিউজার্সি স্টেডিয়াম যেন অন্য ১০টি দিনের মতো নয়। স্তব্ধ ও ভারী পরিবেশ। ব্রাজিলিয়ানরা মুখ গোমরা করে নামছেন স্কেলেটর দিয়ে। একজন আরেকজনকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন। আবার অনেকে একেবারে মুষড়ে পড়েছেন। প্রতিক্রিয়াও জানাতে পারছেন না। 

ম্যাচে লিড নেওয়ার সুযোগ ব্রাজিলই আগে পেয়েছিল। ব্রুনো গুইমারেস পেনাল্টি মিস করায় খেলার নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তাদের হাত থেকে। ব্রুনোর সেই মিসকে খেলার টার্নিং পয়েন্ট বলছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, ‘ভিনি এবং আরও অনেক খেলোয়াড় থাকতে কেন আনচেলত্তি ব্রুনোকে দিলেন এটা আমার বোধগম্য নয়।’

dhakapost

শেষ ষোলোর এই ম্যাচে নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ৮০ হাজার দর্শকের মধ্যে অর্ধলাখই ছিল ব্রাজিল সমর্থক। তাই নরওয়ে জিতলেও ব্রাজিলের হারের স্তব্ধতাই ছিল বেশি। ব্রাজিলিয়ান অনেক সমর্থক স্পোর্টিং মনোভাব দেখিয়েছেন। নরওয়েকে জয়ের জন্য সাধুবাদ দিয়েছেন। নরওয়েজিয়ান এক সমর্থক তাদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা জয় হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘নরওয়ে এর আগেও ব্রাজিলকে হারিয়েছে। তবে নকআউট পর্বে ব্রাজিলের হার এবং আনচেলত্তির দলকে হারানো অবশ্যই বিশেষ।’

নরওয়ের ভাইকিং উৎসব সারা বিশ্বজুড়ে এখন সমাদৃত। ব্রাজিলবধের পরও মাঠে হালান্ডের নেতৃত্বে সেই উদযাপন হয়েছে। মাঠের বাইরেও ভাইকিংয়ের মাধ্যমে জয় উদযাপন করেছেন দর্শকরা। ব্রাজিলকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন মূলত হালান্ড। তাকে নিয়ে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই নরওয়েজিয়ান সমর্থকদের, ‘আসলে তার তুলনা সে নিজেই। তিনি আসলে মানুষ কি না আমাদেরও বিস্ময় জাগে মাঝেমধ্যে। এত অসাধারণ পারফরমান্স কীভাবে সম্ভব!’

আ জো/ এনজি