রাত ১২:১৬ | শুক্রবার | ১৭ জুলাই, ২০২৬ | ২ শ্রাবণ, ১৪৩৩, বর্ষাকাল | ২ সফর, ১৪৪৮

সাত মিনিটের আর্জেন্টাইন ঝড়ে স্তব্ধ ইংল্যান্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, আটলান্টা থেকে

আটলান্টা স্টেডিয়ামে স্লোগান ‘ফুটবল ইজ কামিং হোম’। ইংল্যান্ড ৮৪তম মিনিট পর্যন্ত আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে। ১৯৬৬ সালের পর আবার ফাইনালের অপেক্ষায় ইংল্যান্ড। মাত্র কয়েক মিনিটের অপেক্ষা। কে জানত সাত মিনিটের আর্জেন্টাইন ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হবে ইংল্যান্ড। 

আর্জেন্টিনা নকআউট পর্বের প্রথম দুটি ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে জিতেছে। এটা জেনেও টুখেল ডিফেন্স মন্ত্র বেছে নেন। সেটা যে টেকসই নয়, মিনিট দশেকের মধ্যে স্পষ্ট হয়েছে। মেসি, লাউতেরোদের আক্রমণে ইংল্যান্ড ডিফেন্স ভেদ হয়েছে বারবার। পিকফোর্ড একবার গোললাইন সেভ করেছেন। আরেকবার পোস্ট লেগে ফেরত আসে।

৮৪ মিনিট পার হওয়ার পর ইংলিশরা একটু হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছিল। আর মিনিট দশেক। স্কালোনির আর্জেন্টিনা দমার নয়। মিশর ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে খেলা বের করেছে। ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব থাকা ইংল্যান্ডের সাথে তো শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত লড়বে।

গোল হজমের পর ইংল্যান্ড আরো দমে যায়। আর্জেন্টিনা উজ্জীবিত ফুটবল খেলে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে মেসি ডান প্রান্ত ক্রস করেন। ইংলিশ ডিফেন্ডাররা লাফিয়েও বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। লাউতারো হেডে বল জালে জড়ালে ইংলিশরা স্তব্ধ হয়। সাত মিনিটের মধ্যে ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হয়।

ইনজুরি সময় ৯ মিনিট। এই সময়ে গোল করে খেলায় ফেরার নজির রয়েছে এই বিশ্বকাপে। ইংল্যান্ড আক্রমণই সেভাবে করতে পারেনি। উল্টো মেসি আর্জেন্টিনাকে গোলের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন।

ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনার ডিফেন্সের ভুলে গোল পেয়েছিল। গোল পাওয়া পর নিজেরা চুপসে যায়। আর্জেন্টিনা আক্রমণাত্মক ও নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেলে ম্যাচ নিজেদের করে নেয়। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার না হারার রেকর্ড অক্ষত থাকল।

 

জা ই/ এনজি