রাত ২:৩৯ | বুধবার | ৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩, বর্ষাকাল | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮

ব্রাজিলকে হারিয়ে নরওয়ের ‘ঐতিহাসিক রাত’, যা বলছেন কোচ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, নিউইয়র্ক থেকে

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি সংবাদ সম্মেলন শেষ করেছেন আধঘণ্টা আগে। এরপর ইতিহাস গড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করা নরওয়ের কোচ স্টালে সলবাক্কেনের জন্য মিডিয়া কর্মীদের অপেক্ষা। সংবাদ সম্মেলন কক্ষে বেশ হাসিমুখে ও হাত নাড়িয়েই তিনি হাজির হলেন। 

Image

নরওয়ের এই সাফল্যের অন্যতম কারিগর আর্লিং হালান্ড। তার জোড়া গোলেই ব্রাজিল কুপোকাত হয়েছে। হালান্ডের প্রশংসা করলেও দলীয় সমন্বয়কেই প্রাধান্য দিলেন কোচ, ‘হালান্ড গুড গোল স্কোরার। অসাধারণ খেলোয়াড়। শারীরিক সামর্থ্য ও স্কিলের দারুণ সমন্বয়। এই জয় কোনো একক খেলোয়াড় নয়, পুরো দলের কৃতিত্ব। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে এবং সবাই রক্ষণ ও আক্রমণে ভূমিকা রেখেছে।’

ম্যাচের একেবারে শুরুতে হালান্ড ব্রাজিলের জালে বল পাঠিয়েছিলেন। তবে অফসাইডের জন্য তা বাতিল হয়। এরপর ব্রাজিল পেনাল্টি পায়। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি ব্রুনো গুইমারেস। নরওয়ে প্রথমার্ধের বাকি সময়ে সেভাবে আক্রমণ করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে তাদের আবার ভিন্নরূপে দেখা যায়। এর রহস্য সম্পর্কে সলবাক্কেন বলেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আমরা দুই জন পরিবর্তন করেছি। যা খেলায় বেশ প্রভাব ফেলেছে। হালান্ডের গোলের পেছনেও এটা প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।’

Image

ব্রাজিল তাদের নামের প্রতি সুবিচার করে খেলতে পারেনি। এরপরও ব্রাজিলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে নরওয়ের কোচ বলেন, ‘তারা এখনও বিশ্বকাপে বড় দল। এমন প্রতিপক্ষের সঙ্গে আপনাকে একেবারে নিখুঁত খেলতে হবে। আমার দল সেটাই খেলেছে।’ ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকে হারিয়েছিল নরওয়ে। সেই স্কোয়াডে ছিলেন সলবাক্কেন। খেলোয়াড় ও কোচ উভয় ভূমিকায় তার ব্রাজিলকে হারানোর অভিজ্ঞতা হলো। এ নিয়ে নরওয়ে কোচ বলেন, ‘১৯৯৮ সালের ঘটনা আমার খেলোয়াড়দের বলিনি। ওই দলের সঙ্গে এই দলের অনেক পার্থক্য। নকআউট পর্যায়ের খেলা অবশ্যই ভিন্ন গুরুত্ব ও মর্যাদার।’

আ জো/ এনজি