রাত ৯:২৭ | বৃহস্পতিবার | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২ আশ্বিন, ১৪৩৩, শরৎকাল | ৫ রবিউস সানি, ১৪৪৮

বন্ধ শিল্প চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার স্কিম, ঋণে সুদ ৭%

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

 

বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঋণগ্রহীতাদের ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হয়েছে। ফলে ঋণ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস সুদ পরিশোধ করতে হবে না।

সার্কুলারে বলা হয়, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় ব্যাংকগুলোকে অর্থায়নের মাধ্যমে বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়ন দেওয়া হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। তবে প্রাক-অর্থায়ন নেওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এ সুদ পরিশোধ করতে হবে না। তবে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংককে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সুদ পরিশোধ করতে হবে। এ সময় প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, তহবিলের প্রাপ্যতা থাকা সাপেক্ষে স্কিমটির মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করা যাবে। অর্থাৎ স্কিমের আওতায় সুবিধা নিতে আগ্রহী ব্যাংকগুলো তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রাক-অর্থায়নের আবেদন করতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে তহবিলের প্রাপ্যতা থাকতে হবে।
স্কিমের আওতায় দেওয়া অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, ঋণ আদায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের তদারকির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়নের অর্থ নির্ধারিত কাজে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ঋণের ব্যবহার ও আদায় পরিস্থিতি তদারক করতে হবে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত নিয়মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাব নিষ্পত্তি করতে হবে।

 

 

জা ই/ এনজি