গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. ওয়াহিদ শেখ (৫৪)। তিনি শিশু পরিবারসংলগ্ন এলাকায় একটি দর্জির দোকানের মালিক।
এ ঘটনায় ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও শিশু নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত ৬ জুলাই ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীটি শহরের টেপাখোলা এলাকার একটি স্কুলে পড়ে। শিশু পরিবার থেকে স্কুলে যাতায়াতের সুবাদে গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে ওই এলাকার এক দর্জির দোকানের মালিক মো. ওয়াহিদ শেখ (৫৪) তাকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই ব্যক্তি তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এর ফলে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হলে গত ৬ জুলাই মেয়েটিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। চিকিৎসক পরীক্ষার পর জানান, শিশুটি ২৭ সপ্তাহের গর্ভবতী।
গত ৮ জুলাই পুলিশ অভিযুক্ত ওয়াহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপসচিব ও পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ওই পাঁচ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশে মেয়েটিকে সমাজসেবা বিভাগের অধীনে ‘নারী ও শিশু কিশোরী মহিলা হেফাজতিদের আবাসনকেন্দ্রে’ রাখা হয়েছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।
আ ই / এনজি






