নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যথাযোগ্য মর্যাদা, রাজনৈতিক অঙ্গিকার ও বর্ণাঢ্য উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে আজ ১ সেপ্টেম্বর সারা দেশে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের প্রতিটি জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে ভোর থেকেই নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন সকাল ৬টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং সারা দেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ৯টায় শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে কর্মসূচি কেবল রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের মধ্যেই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ ছিল না, এবার পরিবেশ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ঢাকাসহ সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। জলাশয় ও মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়, যার নেতৃত্ব দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। দিনদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সহযোগিতায় রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।
বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে পাঁচ দিনের কর্মসূচি পালন করছে। সারাদেশে বৃক্ষরোপন ও মৎস্য অবমুক্তকরণ ছাড়া রয়েছে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় আলোচনা সভা আগামী ৫ সেপ্টেম্বর। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারেক রহমান ও দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী পৃথক পৃথক বিবৃতিতে দলের নেতা-কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১৯৭৮ সালেল ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি গঠিত হয় যার প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন জিয়াউর রহমান।
জিয়া উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী : বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে তারেক রহমান শেরে বাংলা নগরে কবরস্থলে আসেন এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। ফাতেহা পাঠ করে প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা এবং মরহুমা চেয়ারপারসনের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন তারা।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময়ে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, এজেডএম জাহিদ হোসেন, রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ও ইসমাইল জবিহউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরও ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, মহানগর উত্তরের সভাপতি আমিনুল হক, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শাহ মো. নেসারুল হক, আশরাফ উদ্দিন খান উজ্জ্বল,মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি, সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম, হাবিবুর রশীদ হাবিব, এসএম জাহাঙ্গীর, যুব দলের এম মোনায়েম মুন্না, নুরুল ইসলাম, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, উলামা দলের মাওলানা কাজী মো. সেলিম রেজা, মাওলানা কাজী মো. আবুল হোসেন, জাসাসের জাকির হোসেন জাকির, ছাত্র দলের রাকিবুল ইসলাম রাকিব, নাছির উদ্দীন নাছির প্রমূখ।
দলের চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা বেষ্টনি তুলে নেবার পর দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ঢল নামে। নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে ‘শুভ শুভ শুভ দিন, বিএনপির জন্মদিন’. ‘ এক জিয়া লোকান্তরে লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে’ প্রভৃতি শ্লোগানে মুখর ছিল শেরে বাংলানগর সমাধি প্রাঙ্গন। ঢাকা মহানগর বিএনপি উত্তর-দক্ষিন, যুব দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মুক্তিযোদ্ধা দল, কৃষক দল, মহিলা দল. তাঁতী দল, মৎস্যজীবী দল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব,এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ-এ্যাব, ছাত্র দল, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতা-কর্মীরা প্রয়াত নেতার কবরে পুস্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জানায়।
বিএনপি এমন সময়ে তাদের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে যখন দুই দশক পর আবার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে দলটি আর প্রথমবারের মত প্রধানমন্ত্রী পদে আছেন তারেক রহমান।
বৃক্ষরোপন ও মৎস্য অবমুক্তকরণ: বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শেরে বাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে বৃক্ষরোপন এবং ক্রিসেন্ট লেকে মৎস্য অবমুক্তকরণ করলেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরপরই দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী জিয়া উদ্যোনে প্রথমে বৃক্ষরোপ করেন এবং পরে ক্রিসেন্ট লেকে মৎস্য অবমুক্ত করেন। এই সময়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু প্রমূখ নেতারা ছিলেন।
আস্থা ও জনপ্রিয়তা ধরে রাখার অঙ্গিকার : শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশ ও আন্দোলন-সংগ্রামের পর জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। এখন দল ও সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জনগণের আস্থা ও জনপ্রিয়তা ধরে রাখা। এর জন্য জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং জনগণের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকতে হবে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৪৮ বছর আগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কয়েকটি প্রত্যয়কে সামনে রেখে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন, উৎপাদন ও আত্মনির্ভরশীলতার লক্ষ্যে তিনি বৈপ্লবিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। আমরা তার নীতি, আদর্শ ও দর্শনের পতাকা ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বৈদেশিক নীতি, অভ্যন্তরীণ নীতি ও আইনশৃঙ্খলা—সব ক্ষেত্রেই শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে একটি গৌরবজনক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বিএনপি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মত ও পথের মানুষ তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পেয়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আজ যারা সংবাদপত্রে দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করছেন, এর পেছনে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বিএনপিকে ‘ওয়াদা রক্ষাকারী দল’ উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নানা নিপীড়ন, নির্যাতন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও খালেদা জিয়া দেশ ও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে প্রতিহত করার চেষ্টা হলেও সব বাধা অতিক্রম করে তিনি জনগণের বিজয় ও গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমান সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ক্ষমতায় এসে জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করছেন। নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ, ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত থাকতে পারে। তবে সেগুলো মোকাবিলা করেই তারেক রহমান সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সামাজিক সুরক্ষা, উন্নয়ন ও উৎপাদনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছেন।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি শুধু বিএনপি বা সরকারের সংকট নয় এটি একটি বৈশ্বিক সংকট। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা এবং জ্বালানি বহনকারী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। তিনি বলেন, সরকার সংকট মোকাবিলায় বসে নেই। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দের বাইরে আরও প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহেশখালীর একটি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি মেরামত করা হয়েছে এবং পুনরায় গ্যাস রিগ্যাসিফিকেশন শুরু হয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অঙ্গীকার তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৭ বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা গণতান্ত্রিক চেতনা, জনগণের সামাজিক সুরক্ষা এবং দেশের উন্নয়ন ও উৎপাদনের যে অঙ্গীকার ৩১ দফা, নির্বাচরি ইশতেহার এবং বেগম খালেদা জিয়ার ভিশন-২০৩০-এ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প : বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধারণ মানুষকে এ ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে এ মেডিকেল ক্যাম্প শুরু হয়, চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ক্যাম্পটির উদ্বোধন করেন। এই সময়ে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ এবং মহাসচিব জহিরুল ইসলাম শাকিল উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধারণ মানুষ এবং বিএনপির কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে এসে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। কার্যালয়ের নিচতলার একটি কক্ষে এ মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হয়। ক্যাম্পে দন্ত, মেডিসিন, নিউরোলজি, কিডনি, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, শিশু, ইউরোলজি, শিশু সার্জারি, বক্ষব্যাধি, অর্থোপেডিক্স, নাক-কান-গলা, এন্ডোক্রাইনোলজি, বাতজ্বর, চর্ম ও যৌন, চক্ষু এবং কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দেয়া হয়।
জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল : বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে জিয়া উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। দলীয় বিভিন্ন স্লোগানে জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। ফলে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। তাদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে আশপাশের সড়কগুলোতে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
জা ই / এনজি






