দুপুর ২:৩১ | সোমবার | ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩, শরৎকাল | ২৪ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮

ফকির মাহবুব আনাম  :  শুধু সংযোগ বাড়ানো নয়, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুধু সংযোগ বাড়ানো নয়, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ শুধু সংযোগ বাড়ানো নয়, বরং সেবার মান, সাশ্রয়, নির্ভরযোগ্যতা ও অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা। ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা এবং দেশের যেকোনো প্রান্তের মানুষকে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বড় ও দ্রুত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ বাজার রয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মোবাইল সংযোগ এবং প্রায় ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। ১০ কোটি ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক ফোর-জি সেবা ব্যবহার করছেন। টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে ৪৯ হাজারের বেশি ফোর-জি সাইট, ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক।

তিনি বলেন, এসব পরিসংখ্যান দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যাপকতা তুলে ধরে। তবে এখন সরকারের লক্ষ্য শুধু আরও বেশি সংযোগ যুক্ত করা নয়; বরং সেবার মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, এডব্লিউজি-৩৭ ঢাকায় আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন টেলিযোগাযোগ ভাবনার সঙ্গে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সংযোগ ঘটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার সুযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি।

সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, টেলিযোগাযোগ খাত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। নতুন প্রযুক্তি নানা সুযোগ তৈরি করলেও এর সুফল নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতি, সক্ষম প্রতিষ্ঠান এবং সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্প খাতসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এপিটি ওয়্যারলেস গ্রুপ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে উদীয়মান ডিজিটাল চাহিদা পূরণে বিভিন্ন ওয়্যারলেস ব্যবস্থার নানা দিক নিয়ে কাজ করে। একই সঙ্গে কার্যকর রেডিও যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তরেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান, কমিশনাররা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তারা, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

জা ই/ এনজি