রাত ৩:০৬ | শনিবার | ১৮ জুলাই, ২০২৬ | ৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩, বর্ষাকাল | ৩ সফর, ১৪৪৮

ফুটবল বিশ্বকাপে আছে বাংলাদেশও!

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, নিউইয়র্ক থেকে

বিশ্বকাপ ও ভলান্টিয়ার একে অন্যের পরিপূরক। ভলান্টিয়ার ছাড়া বিশ্বকাপ আয়োজন সম্ভব নয়। ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকলেও বাংলাদেশিরা ভলান্টিয়ার হিসেবে সম্পৃক্ত আছেন। 

মিডিয়া সেন্টারে ভলান্টারিং করেছেন ঐশী। ফুটবলাররা যখন মাঠে নামেন পতাকা নিয়ে তিনিও ছিলেন একবার। খেলা শুরুর আগে ফটোসাংবাদিকরা ছবি তোলেন। তখন তাদের গাইডলাইন নির্দেশনা পালনের তদারকিও করেন।

যে কোনো টুর্নামেন্ট সফল করতে ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা অনেক। এবারের ফিফা বিশ্বকাপেও নানান দেশ থেকে অনেকেই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজের সুযোগ পেয়েছেন। আছেন বাংলাদেশিরাও।

বিশ্বকাপের প্রাণ সমর্থকরা। অনেকে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখতে পারেন না। তাদের জন্য বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করে ফিফা। সেখানেও  ইভেন্ট ব্যবস্থাপনার জন্য ভলান্টিয়ার প্রয়োজন। ওখানে দায়িত্বে ছিলেন আরেক বাংলাদেশি সাখাওয়াত হোসেন । তার প্রতিক্রিয়া, ‘স্টেডিয়ামের মতোই উন্মাদনা ফ্যান জোনে। নানা দেশের নানা ভাষার মানুষের সঙ্গে পরিচয় ও কাজ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা।’

কানসাসে ফিফা ভলান্টিয়ার সংখ্যা দশ জনের মতো। কানসাসের পাশাপাশি নিউ জার্সি, বোস্টনসহ আরও অনেক ভেন্যুতে বাংলাদেশের ভলান্টিয়াররা রয়েছেন। নিউইয়র্কে বিমানবন্দরে বাংলাদেশের এক ভলান্টিয়ার রয়েছেন।

এমবাপের বাবার সঙ্গে ছবি তুলেছেন বাংলাদেশের ভলান্টিয়ার। এ নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাস তার,‘বিমানবন্দরে ডিউটি পড়ায় প্রথম দিকে একটু আফসোস লাগছিল। পরবর্তী দেখলাম এখান থেকে অনেক তারকা ও পরিবারকে কাছে পাওয়া যায়।’ তবে এই বিশ্বকাপে সর্বমোট কতজন বাংলাদেশি ভলান্টিয়ার কাজ করছেন, এর প্রকৃত তথ্য পাওয়া যায়নি ফিফার কাছ থেকে।

 

শা হা / এনজি