রাত ২:২০ | শনিবার | ২৩ মে, ২০২৬ | ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩, গ্রীষ্মকাল | ৫ জিলহজ, ১৪৪৭

ব্রয়লার ও ডিমের দাম সামাণ্য কমলেও বেড়েছে মাছের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

 ঈদুল আজহা খুবই। ঈদের আগের সপ্তাহে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। তবে উল্টো চিত্র দেখা গেছে মাছের বাজারে। গত এক সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দামের ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা ও ব্রয়লার কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০০ টাকায়।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ১৯৫ টাকার ওপরে। একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩৩০ টাকা। ডজন প্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

রায়ের বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা রমিজ উদ্দিন বলেন, “ঈদের পর কিনেছিলাম। তখন ২০০ টাকা কেজি ছিল। আজকে নিলাম ১৭৫ টাকা করে। দাম কিছুটা কমেছে।’’

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা (জীবিত ও মৃতের উপরেও দাম নির্ধারণ), রুই ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা। তবে মাছের বাজারে পাঁচ মিশালি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

এ ছাড়া ১ কেজি সাইজের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়, পাশাপাশি ছোট জাটকা সাইজের ইলিশ (২০০ গ্রাম সাইজের ছোট মাছ) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়। ইলিশের দাম সাইজের উপর নির্ভর করছে বলে জানান বিক্রেতারা।

 

টি আই/ এনজি