ক্রীড়া প্রতিবেদক
পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই দ্রুতগতির বোলিংয়ে সবার নজর কেড়েছিলেন নাহিদ রানা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও একই নৈপুণ্যে বুদ করেছেন ক্রিকেটভক্তদের। তবে সাদা বলের ক্রিকেটে এখনও নিয়মিত হতে পারেননি। লাইন-লেংথের দুর্বলতা কাটাতে হচ্ছে ডানহাতি এই পেসারকে। এরই মাঝে গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে আগুনঝরা বোলিংয়ে রানা ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার পেয়েছেন।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে একপেশে দাপট দেখিয়ে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নাহিদ জানিয়েছেন, ‘শুরুতে আমি আমার স্ট্রেন্থে থাকার চেষ্টা করি সবসময়। আজকের দিনেও চেষ্টা করছি স্ট্রেন্থ দিয়ে শুরু করার। ব্যাটসম্যানের চেহারা দেখে কিংবা ব্যাটসম্যান আগে থেকে আমি কাকে চিনি কিংবা চিনি না ওইটা দেখিনি। উইকেটে যে জিনিসটা ডিমান্ড করছে আমি ওই সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।’
পরে দলের পরিকল্পনা নিয়ে নাহিদ জানান, ‘তাদের পরিকল্পনা ছিল একটাই যে তুমি মন খুলে বোলিং করো এবং তুমি যে জিনিসটা পারো ওই জিনিসটাই মাঠে গিয়ে করো। একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে প্রত্যেকের ফিট থাকা উচিত এবং যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় বোলিং করতে হতে পারে। দল যেটা চায়, সে অনুযায়ী নিজেকে ফিট রাখা উচিত।’

এর আগে বিপিএলের সময় ওয়াকার ইউনিসের সঙ্গে হওয়া আড্ডা নিয়ে ২৩ বছর বয়সী এই পেসার বলেন, ‘উনার (ওয়াকার ইউনিস) সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল, উনি শুধু একটা জিনিসই বলছিল যে তুমি নিজেকে ফিট রাখো এবং তোমার যে শক্তি এই জিনিসটা কখনও হারাতে দিও না। যত ম্যাচ খেলবে তত শিখবে। উনি বলছিল যে আমি তোমাকে এখন যত কিছুই বলি তোমার মাথায় ঢুকবে না, কিন্তু তুমি যদি নিজে জিনিসটা বোঝো বা নিজে করো সেটা তোমার মনে থাকবে।’






