স্পোর্টস ডেস্ক
জুড বেলিংহাম, হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপে, লিওনেল মেসি, মাইকেল অলিসে, রদ্রি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও এলয় রুম এবারের বিশ্বকাপে রেকর্ডের খাতায় নাম লিখেছেন।
কোচের রেকর্ড
ডিক অ্যাডভোকাট : সর্বজ্যেষ্ঠ কোচ – ৭৮ বছর
কুরাসাওয়ের কোচ হিসেবে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে মাঠে নেমে ৭৮ বছর ২৭১ দিন বয়সে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বজ্যেষ্ঠ কোচের স্থান দখল করেন ডিক অ্যাডভোকাট।
ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশম বিশ্বকাপে মোট ২৬টি ম্যাচে দলের দায়িত্ব পালন করে হেলমুট শনের (২৫ ম্যাচ) রেকর্ড ভাঙেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি জয়ের রেকর্ডও এখন তার দখলে।
কিলিয়ান এমবাপে : সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা – ২২ গোল
মিরোস্লাভ ক্লোসা ও লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে বসেন কিলিয়ান এমবাপে। এই আসরে তিনি ১০টি গোল করে ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছেন।
মাইকেল অলিসে : এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট – ৭টি
১৯৭০ সালে পেলের করা ৬টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সে খেলা মাইকেল অলিসে এক আসরে ৭টি অ্যাসিস্ট করার নতুন কীর্তি গড়েন। যার মধ্যে ৫টিই ছিল এমবাপের গোলে।
জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইন/উসমান দেম্বেলে ও কিলিয়ান এমবাপে : একই আসরে এক দলের দুই সতীর্থের ৬টি করে গোল
ইংল্যান্ডের বেলিংহাম-কেইন জুটি প্রথম এবং ফ্রান্সের দেম্বেলে-এমবাপে জুটি দ্বিতীয় হিসেবে এই সাফল্য স্পর্শ করেন।
ইয়োহান মানজাম্বি : বদলি হিসেবে সর্বকনিষ্ঠ জোড়া গোলদাতা
সুইজারল্যান্ডের এই ফুটবলার মাত্র ২০ বছর ২৪৭ দিন বয়সে মাঠে নামার ২ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের মধ্যে প্রথম গোল করেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় গোলটি করে সবচেয়ে কম বয়সে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে জোড়া গোল করার রেকর্ড গড়েন।
লিওনেল মেসির একাধিক রেকর্ড
সর্বাধিক জয় : বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ২৩ ম্যাচে জয়ের রেকর্ড নিজের নামে করেন।
টানা ম্যাচে গোল : বিশ্বকাপের টানা ৯টি ম্যাচে গোল করে জাস্ট ফন্টেইন ও জার্জিনহোর রেকর্ড অতিক্রম করেন।
ডি বক্সের বাইরে থেকে গোল : পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে সর্বাধিক ৭টি গোল করার রেকর্ড অর্জন করেন।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো : ৬টি বিশ্বকাপে গোল
৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ তারকা প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬টি ভিন্ন বিশ্বকাপ আসরে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েন।
গোলরক্ষক ও পাসিং রেকর্ড
উনাই সিমন : এক আসরে সর্বোচ্চ ক্লিন শিট – ৭টি
স্পেনের এই গোলরক্ষক ৮টি ম্যাচের মধ্যে ৭টিতেই কোনো গোল হজম করেননি, যা এক আসরে সর্বোচ্চ ক্লিন শিটের নতুন রেকর্ড। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেন মাত্র ১টি গোল হজম করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
এলয় রুম : এক ম্যাচে সর্বাধিক সেভ – ১৬টি
ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচে ১৬টি সেভ করে আমেরিকার টিম হাওয়ার্ডের ২০১৪ সালের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড স্পর্শ করেন কুরাসাওয়ের এই গোলরক্ষক।
রদ্রি : এক আসরে সর্বাধিক সফল পাস – ৭৯০টি
স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি টুর্নামেন্ট জুড়ে ৭৯০টি সফল পাস দিয়ে কাতার বিশ্বকাপে নিজের করা ৬৩৮টি পাসের রেকর্ড নিজেই ভাঙেন।
শা হা / এনজি






