প্রথম দিন শেষে ম্যাচে স্পষ্টতই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনেও শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগাররা। তবে বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচ থেকে দূরে সরে গেছে তারা। বিশেষ করে বোলিংয়ে একেবারেই ছন্নছাড়া ভাব ছিল। পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২২ ওভার! দিনের একমাত্র সাফল্যও সেটি। তাই প্রথম ইনিংসে চারশোর্ধ্ব রান করেও দ্বিতীয় দিন শেষে ম্যাচে পিছিয়ে স্বাগতিকরা।
পাকিস্তানের হয়ে ইনিংস ওপেন করতে নেমে দারুণ শুরু করেন আজান এওয়াইস ও ইমাম-উল-হক। বিশেষ করে আজান দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। এই তরুণ ব্যাটার নিজের অভিষেক ইনিংসেই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। এগোচ্ছেন সেঞ্চুরির পথে দিনশেষে ৮৫ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। আরেক অভিষিক্ত ব্যাটার আবদুল্লাহ ফজলও দিনশেষে অপরাজিত থেকেছেন। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৭ রান।
পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২২ ওভার। দিনের একমাত্র উইকেটটি পেয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এই ডানহাতি স্পিনার লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেছেন ইমামকে। ৪৫ রান করে এই ওপেনার সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ১০৬ রানের উদ্বোধনী জুটি।

পাকিস্তানি এই পেসারের বলে পুল করতে গিয়ে তাইজুল ২৩ বলে ১৭ রানে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। অল্প সময়ের ব্যবধানে মুশফিক-এবাদত ফিরে যাওয়ায় বাংলাদেশের ইনিংস আরও লম্বা না হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে মুশফিকের সেঞ্চুরির আশা জাগলেও, ফেরার পর তৃতীয় বলেই শাহিন আফ্রিদির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান। কিছুটা ভেতরের দিকে ঢুকে ভেঙে দেয় মিস্টার ডিফেন্ডেবলের স্টাম্প। এর আগে ফিফটি করেই বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েন মুশফিক।
পরের ওভারেই এবাদত ১০ বলে রানের খাতা না খুলতেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন। শেষদিকে ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটি গড়েন তাসকিন-নাহিদ রানা। এর মধ্যে রানার ৪ রান বাদে বাকিটা হয়েছে তাসকিনের মারমুখো ব্যাটে। ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি দলীয় রান চারশ পার করেন। শাহিনের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৮ রান।





